ব্রাঞ্চ
স্টাফ
পেশেন্ট
আপনার সুবিধাজনক সময়ে আমাদের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন
কাপিং কেয়ার : হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার চেইন। যা অভিজ্ঞ এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তারগণ এবং দেশসেরা রাক্বীদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি বিকল্পধারার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
"কাপিং কেয়ার : হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার" আপনাকে নিরাপদ এবং মানসম্মত সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের সেবার মধ্যে রয়েছে হিজামা/কাপিং থেরাপি, রুকইয়াহ কনসাল্টেশন ও লাইভ সেশন, ডেন্টাল ইউনিট এবং সুন্নাতে খাতনার ক্লিনিক্যাল সুবিধা। প্রতিটি বিভাগ দক্ষ টিমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। যেখানে রোগীর নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সঠিক প্রটোকল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। বিস্তারিত জানার জন্য যেকোনো সার্ভিসে ক্লিক করলেই সম্পূর্ণ তথ্য দেখতে পারবেন ইন'শা'আল্লাহ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : শায়েখ আহমাদুল্লাহ, ড. মিজানুর রহমান আজহারী, মুহতারাম আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান, শায়েখ আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ-সহ পরিচিত স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ যাদের ভিডিও আমাদের পেজে দেওয়া হয়, উনারা কেউই কাপিং কেয়ার : হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার এবং অন্য কোনো রুকইয়াহ সেন্টারের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নন। উনাদের ভিডিও বার্তাগুলো ব্যবহার করার একমাত্র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে সহজে আলোচ্য বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।
এখানে আমরা স্বাস্থ্যসেবা, থেরাপি, সুস্থতা, রুকইয়াহ ও হিজামা সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য তথ্য, আপডেট এবং গাইডলাইন প্রকাশ করি।
"ঘর মানুষের প্রশান্তির ঠিকানা। কিন্তু সেই ঘরেই যদি নেমে আসে অজানা আতঙ্ক, তখন কী করবেন? অনেক সময় জিন বা শয়তানের উপদ্রবে তছনছ হয়ে যায় সাজানো সংসার, অথচ আমরা আসল কারণটাই ধরতে পারি না। . আপনার বাড়িতেও কি অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে? দেরি না করে জেনে নিন বাড়িতে জিনের অস্তিত্ব বোঝার ১০টি লক্ষণ।" . ১. বাড়িতে/ঘরে বিভিন্ন ছায়া বা আকৃতি দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা। ২. রাতে অথবা কেউ যখন থাকে না তখন রান্নাঘর, অন্যান্য কামরা বা ছাদ থেকে মানুষের আওয়াজ আসা। ৩. ফাঁকা ঘর বা ছাদ থেকে বাড়ির লোকদের নাম ধরে ডাকছে এমন শোনা। ৪. বাহিরে বা দূরে কোথাও অবস্থা করছে এমন কাউকে বাড়িতে দেখতে পাওয়া। ৫. অকা

রুকইয়াহ (رقية) একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো ঝাঁড়ফুঁক, সম্মোহন ইত্যাদি। যদি রুকইয়াহতে শিরক ও কুফরি বাক্য বা পদ্ধতি থাকে তাহলে সেটা রুকইয়াহ শিরকিয়্যাহ বা কুফরিয়্যাহ; এটি নাজায়েজ ও হারাম। আর যেই রুকইয়াতে শিরক ও কুফরি কোনো বাক্য বা পদ্ধতি থাকে না বরং শরিয়াহসম্মতভাবে হয় সেটা হলো রুকইয়াহ শারইয়্যাহ; এটি জায়েজ। সাহাবীগণ রা. এই ধরনের রুকইয়াহ করেছেন। রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে বলেছেন- “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহিহ মুসলিম: ৫৫৪৪) পরিভাষায় রুকইয়াহ শারইয়্যাহ বলা হয়, কুরআন-হাদিস ও সালাফদের থেকে বর্ণিত নির্দিষ্ট দোয়া, আয়াত ও জিকির পাঠের মাধ্যমে আল্লা
আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া লিংক সমূহ
আপনাদের সুবিধার্থে কাপিং কেয়ার : হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টারের সকল সোশ্যাল মিডিয়ার লিংক একত্রে নিচে দেওয়া হল।
ওয়েব সাইট